
যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি বড় অংশ বর্তমানে অতি দারিদ্র্য বলে জানিয়েছে দেশটির প্রভাবশালী গবেষণা সংস্থা জোসেফ রাউনট্রি ফাউন্ডেশন (জেআরএফ)। সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের দারিদ্রতা আগের তুলনায় আরও গভীর হয়েছে। বর্তমানে দেশটিতে ৬৮ লাখ মানুষ অতিদরিদ্রতার মধ্যে বসবাস করছেন। যা গত তিন দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এতে বলা হয়, জেআরএফ-এর তথ্যানুযায়ী যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর মধ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতরা দারিদ্র্যের সবচেয়ে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীগুলোর একটি। কম আয়ের চাকরি, বাড়তি জীবনযাত্রার ব্যয়, আবাসন সংকট ও সামাজিক বৈষম্যের কারণে তাদের বড় অংশ ‘অতিদরিদ্র’ অবস্থায় বসবাস করছে।
সংস্থাটি বলছে, ‘অতি দারিদ্র্য’ বলতে আবাসন ব্যয় বাদ দেয়ার পর যেসব পরিবারের আয় যুক্তরাজ্যের মধ্যম আয়ের ৪০ শতাংশের নিচে নেমে যায়, তাদের বোঝানো হয়। বর্তমানে বৃটেনে প্রায় ৬৮ লাখ মানুষ এই ক্যাটাগরিতে রয়েছেন। যা গত তিন দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।
সংস্থাটি বলেছে, দারিদ্রতার সবচেয়ে বড় শিকার শিশুরা। এরপর রয়েছেন শারীরিক প্রতিবন্ধীরা। অপরদিকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশি ও পাকিস্তানিদের মধ্যে দারিদ্রতার হার খুবই বেশি।
এছাড়া শিশু দারিদ্রতার হারও বেড়েছে। বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ শিশু দারিদ্রতার মধ্যে বড় হচ্ছে। গত তিন বছর টানা দরিদ্র শিশুর সংখ্যা বেড়েছে। ২০১৭ সালে বৃটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নিম্নআয়ের যেসব পরিবার দুই সন্তানের বেশি সন্তান নেবে তারা সরকারি সামাজিক সুরক্ষা সহায়তা পাবে না। তবে গত এপ্রিলে এই নিয়ম বাতিল করেন বর্তমান অর্থমন্ত্রী রাখায়েল রিভিস।