যুক্তরাজ্য

৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:০২
আরও খবর

কিয়ার স্টারমার স্বীকার করেছেন, লর্ড ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত করার আগে জেফ্রি এপস্টেইনের বাড়িতে তাঁর থাকার বিষয়টি তিনি জানতেন

13985_Screenshot 2026-02-04 at 1.24.06 pm.jpeg

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার স্বীকার করেছেন যে, লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসনের যুক্তরাষ্ট্রে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের আগে তাঁর ভেটিং প্রক্রিয়ার সময় জেফ্রি এপস্টেইনের বাড়িতে থাকার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। তবে এই স্বীকারোক্তিকে ঘিরে ওয়েস্টমিনস্টারে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী প্রশ্নোত্তর পর্বে (PMQs) বিরোধী কনজারভেটিভ নেতা কেমি ব্যাডেনক এই ইস্যুতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, জানুয়ারি ২০২৪ সালে ফিনান্সিয়াল টাইমস-এর এক সাংবাদিক স্টারমারকে জানিয়েছিলেন যে, এপস্টেইন শিশু যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও ম্যান্ডেলসন তাঁর বাড়িতে ছিলেন। ব্যাডেনকের প্রশ্ন ছিল, প্রধানমন্ত্রী কি বিষয়টি ভুলে গিয়েছিলেন, নাকি জেনেশুনেই এটিকে একটি “গ্রহণযোগ্য ঝুঁকি” হিসেবে দেখেছিলেন।

জবাবে স্যার কিয়ার স্টারমার বলেন, লর্ড ম্যান্ডেলসনের নিয়োগের আগে যথাযথ ডিউ ডিলিজেন্স এবং নিরাপত্তা সংস্থার পূর্ণ ভেটিং সম্পন্ন করা হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, ওই প্রক্রিয়ার মধ্যেই সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো “ডিল করা হয়েছিল”। তবে তিনি দাবি করেন, ম্যান্ডেলসন ও এপস্টেইনের সম্পর্কের গভীরতা এবং বিস্তৃতি তখন জানা যায়নি। স্টারমার অভিযোগ করেন, ম্যান্ডেলসন বহু বছর ধরে এই সম্পর্কের প্রকৃত রূপ সম্পর্কে সবাইকে মিথ্যা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত নতুন তথ্য থেকে বোঝা যায় যে, এই সম্পর্ক পূর্বে যা মনে করা হচ্ছিল তার চেয়ে অনেক বেশি গভীর ছিল। নতুন প্রমাণ সামনে আসার পরই তিনি লর্ড ম্যান্ডেলসনকে বরখাস্ত করেন বলে জানান স্টারমার।

এদিকে ডাউনিং স্ট্রিট নিশ্চিত করেছে যে, লর্ড ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ সংক্রান্ত নথিপত্র প্রকাশ করা হবে। তবে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি বা লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশের চলমান ফৌজদারি তদন্তে প্রভাব পড়তে পারে—এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করা হবে না।
 

সর্বাধিক পঠিত


আরও খবর
ভিডিও