রাজনীতি

"সাকিব-মাশরাফির বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না"

14179_mashrafi-shakib-20181110133634-20181110141725-20190527170324.jpg

আওয়ামী লীগ সরকারের অংশ ছিলেন বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এবং মাশরাফি বিন মুর্তজা। যার কারণে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর ৫ আগস্ট সরকার পতনের ফলে দুজনের সংসদ সদস্যের পদও চলে যায়। এরপর দুজনের নামে হত্যা মামলাও দায়ের করা হয়েছে।

যদিও মাশরাফি এবং সাকিব বা দুজনের কেউ হত্যার ক্ষেত্রে নির্দেশ দিয়েছেন বা হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন এমন কোনো প্রমাণ এখনও পর্যন্ত কোথাও প্রকাশিত হয়নি। এছাড়া জুলাই আন্দোলন চলাকালে সাকিব ছিলেন কানাডায়। মাশরাফি দেশে থাকলেও প্রকাশ্যে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নামতেও দেখা যায়নি তাকে। বরং নিজ মেয়েকে আন্দোলনে পাঠিয়েছেন মাশরাফি। এক সাক্ষাৎকারে নিজের ভুলও স্বীকার করে নিয়েছেন সরকার পতনের পর।

ঢাকা-৬ আসন থেকে বিএনপির হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন ইশরাক হোসেন। যিনি আবার বিসিবির কাউন্সিলরও। ক্রীড়াঙ্গনে ইশরাক বেশ পরিচিত মুখও। সাকিব ও মাশরাফি প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন ইশরাক হোসেন।

তিনি বলেন, ‘উনারা (সাকিব এবং মাশরাফি) ক্রীড়াবিদ। তারা ক্রিকেটার, যেন তেন ক্রিকেটার না, আমাদের দেশের সম্পদ। আমি ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করছি। জনগণ তাদের এক প্রকার জবাব দিয়ে দিয়েছে, সমাজ দিয়ে দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যে গণহত্যার মামলা, তা আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। আমার কাছে মনে হয় নাই, তারা নির্দেশ দিয়েছে বা নিজেরা হাতে বন্দুক নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে, আমার কাছে মনে হয় নাই।’

ইশরাক আরও বলেন, ‘সবশেষে উনাদের বিরুদ্ধে যদি অন্য কোনো দুর্নীতি বা মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত অভিযোগ বা মামলা থেকে থাকে, তাহলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের উচিত হবে আইনি ব্যাপারগুলো খতিয়ে দেখা।’

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই সাকিব আল হাসানকে জাতীয় দলে ফেরানোর উদ্যোগের কথা জানায় বিসিবি। আসন্ন পাকিস্তান সিরিজ দিয়ে দলে ফেরার বিষয়ে আলোচনাও চলছে। এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত কী হয়।

সর্বাধিক পঠিত


ভিডিও