
কাতার সরকার জানিয়েছে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) হয়ে কাজ করছিল, এমন দুটি ‘স্লিপার সেল’ শনাক্ত করে সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কাতার নিউজ এজেন্সি মঙ্গলবার জানায়, দুই সেলে মোট ১০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাতজনকে কাতারের গুরুত্বপূর্ণ ও সামরিক স্থাপনা সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বাকি তিনজনকে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন এবং গুপ্তচরবৃত্তি ও নাশকতার মিশনে নিয়োজিত থাকার কথা জানিয়েছেন।
কাতারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের কাছ থেকে সংবেদনশীল স্থাপনার অবস্থান ও স্থানাঙ্ক, যোগাযোগ যন্ত্রপাতি এবং প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা শুরুর পর থেকে তেহরান কাতারসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ইরান বলছে, তারা অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করছে। তবে বেসামরিক অবকাঠামো যেমন বিমানবন্দর ও হোটেল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবার থেকে তাদের আকাশসীমার দিকে তিনটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ১০১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৯টি ড্রোন নিক্ষেপ শনাক্ত করা হয়েছে। এগুলো প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে দোহা।
তবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেছেন, ইরান হামলার আগে দোহাকে অবহিত করেনি এবং এই অযৌক্তিক হামলায় কাতার বিস্মিত হয়েছে।