
দীর্ঘ চার দশকের অপেক্ষা শেষে আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে ইরাক। আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফের ফাইনালে বলিভিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে পশ্চিম এশিয়ার দেশটি। এর মধ্য দিয়ে ৪৮ দলের চূড়ান্ত তালিকাও পূর্ণ হলো।
এশিয়া অঞ্চলের বাছাইপর্ব থেকে সরাসরি সুযোগ হাতছাড়া করলেও প্লে-অফে দারুণ লড়াই করে শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য পূরণ করে ইরাক। দেশজুড়ে ফুটবল উন্মাদনার কথা তুলে ধরে কোচ গ্রাহাম আরনল্ড আগেই বলেছিলেন, খেলোয়াড়দের মধ্যে বিশ্বকাপে ওঠার তীব্র আকাঙ্ক্ষা রয়েছে।
ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ইরাক। ১৮ মিনিটে আলি আলমাহাদির গোলে এগিয়ে যায় তারা। তবে ৩৮ মিনিটে মইসেস পানিয়াগুয়ার গোলে সমতায় ফেরে বলিভিয়া। বিরতির পর ৫৩ মিনিটে আইমেন হুসেইনের গোলেই আবারও লিড নেয় ইরাক, যা শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে।
এর ফলে ১৯৮৬ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেল ইরাক। একই সঙ্গে কোচ গ্রাহাম আরনল্ড গড়লেন অনন্য কীর্তি—নিজ দেশ অস্ট্রেলিয়ার পর আরেকটি দেশকে বিশ্বকাপে তোলার নজির স্থাপন করলেন তিনি।
আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হবে ফুটবলের সর্বোচ্চ এই আসর। গ্রুপ ‘আই’-এ জায়গা পাওয়া ইরাকের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স, নরওয়ে ও সেনেগাল। ১৬ জুন ফক্সবোরোতে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে তারা। এরপর ২২ জুন ফিলাডেলফিয়ায় ফ্রান্স এবং ২৬ জুন টরোন্টোতে সেনেগালের মুখোমুখি হবে ইরাক।