
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে অভিবাসন ইস্যুতে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে রিফর্ম ইউকে-এর সাম্প্রতিক ঘোষণা। দলটি জানিয়েছে, তারা ক্ষমতায় এলে গত পাঁচ বছরে অনুমোদিত সব আশ্রয় আবেদন পুনর্বিবেচনা করবে, যার ফলে প্রায় ৪ লাখ মানুষ বহিষ্কারের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
দলের নেতা নাইজেল ফারাজ ছোট নৌকায় আগত অভিবাসীদের সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। পাশাপাশি, তারা ইউরোপিয়ান কনভেনশন অন হিউম্যান রাইটস থেকে যুক্তরাজ্যের বের হয়ে আসার প্রস্তাব দিয়েছে, যাতে বহিষ্কার প্রক্রিয়া সহজ করা যায় এবং ৫ বছরের পর স্থায়ী বসবাসের অধিকার বাতিল করা সম্ভব হয়।
দলের হোম অ্যাফেয়ার্স মুখপাত্র জিয়া ইউসুফ বলেছেন, প্রতি মাসে প্রায় ২২,৫০০ মানুষকে আটক ও বহিষ্কার করা সম্ভব হবে। এছাড়া, অবৈধভাবে আগতদের জন্য কল্যাণ সুবিধা যেমন বিনামূল্যের আবাসন বন্ধ করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
এদিকে, এই প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা করেছে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো। লেবার পার্টি জানিয়েছে তারা ইতিমধ্যেই অবৈধ অভিবাসন রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। কনজারভেটিভ নেতা ক্রিস ফিলিপ অভিযোগ করেছেন, রিফর্ম তাদের নীতির অনুকরণ করছে কিন্তু যথেষ্ট পরিকল্পনা নেই। লিবারেল ডেমোক্র্যাটদের উইল ফোর্স্টার এই পরিকল্পনাকে “অবাস্তব” বলে আখ্যা দিয়েছেন।
এছাড়া, গ্রিন পার্টি অব ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস এবং রিফিউজি কাউন্সিল এই পরিকল্পনাকে অমানবিক, ব্যয়বহুল এবং অকার্যকর বলে সমালোচনা করেছে।