খেলাধুলা

লিটনের বীরত্বে সম্মানজনক সংগ্রহ বাংলাদেশের

15443_IMG_3229.jpeg

পাকিস্তানের বিপক্ষে একাই ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন লিটন দাস। তার বীরোচিত ব্যাটিংয়ে পরিকল্পনা ভণ্ডুল হলো পাকিস্তানের। সারাদিন দাপট দেখালেও বাংলাদেশকে অলআউট করার আগে চোখেমুখে যে ক্লান্তি ছিল পাকিস্তানিদের, তা শুধু লিটনের দৃঢ়তার কারণেই। দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সিলেট টেস্টের পুরোদিন পাকিস্তানের হতে দেননি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।

এবারো টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। দ্বিতীয় বলেই সাফল্য এনে দেন মোহাম্মদ আব্বাস। গত টেস্টে ফাইফার পাওয়া এই পেসার শূন্য রানে সাজঘরে ফেরান মাহমুদুল হাসান জয়কে। অভিষিক্ত তামিমকে নিয়ে হাল ধরেন মুমিনুল। তবে দলীয় ৪৪ রানে তামিম আর ৬৩ রানে মুমিনুলও বিদায় নেন।

দুজনই অবশ্য শুরুটা পেয়েছিলেন ভালো। তামিম ৩৪ বলে ২৬ ও মুমিনুল ৪১ বলে ২২ রান করেন। ৬৩ রানে তৃতীয় উইকেট হারালে বিপর্যয় সামলানোর দায়িত্ব নেয় শান্ত-মুশফিক জুটি। তাদের ব্যাটে ভর করে তিন অঙ্কে পা ফেলে বাংলাদেশ। লাঞ্চ বিরতির আগে ২৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০১ রান জড়ো করে স্বাগতিক দল।

দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই বাংলাদেশ হারিয়ে ফেলে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমকে। তাদের পথ অনুসরণ করেন মেহেদী হাসান মিরাজও। শান্ত ৭৪ বলে ২৯, মুশফিক ৬৪ বলে ২৩ ও মিরাজ ৬ বলে ৪ রান করেন। ১১৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট পতনের পর হাল ধরেন লিটন দাস ও তাইজুল ইসলাম।

১৬৮ রান নিয়ে দুজনে যান চা বিরতিতে। সপ্তম উইকেটে গড়েন ৬০ রানের জুটি। ১৬ রান করে তাইজুল বিদায় নিলে আবারো একপ্রান্তে আসা-যাওয়ার মিছিল। তবে অন্য প্রান্ত আগলে রেখে লিটন দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে যান। তুলে নেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি।

১৫৯ বলে ১২৬ রান করে তিনিও বিদায় নিলে শেষ আশাও শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের। শরিফুল ৩০ বলে ১২ রান করে থাকেন অপরাজিত। ৭৭ ওভারে ২৭৮ রান দাঁড়ায় বাংলাদেশের সংগ্রহ। পাকিস্তানের পক্ষে খুররম শাহজাদ চারটি, মোহাম্মদ আব্বাস তিনটি, হাসান আলী দুটি এবং সাজিদ খান একটি উইকেট শিকার করেন।

২৭৮ রানকে খুব বড় পুঁজি মনে করার অবশ্য কোনো কারণ নেই। তবে ১১৬ রানের মধ্যে ৬ উইকেট পতনের পর দুইশ স্পর্শ করাই হত না, যদি না লিটন ঢাল না হয়ে দাঁড়াতেন।

সর্বাধিক পঠিত


ভিডিও