
ইংল্যান্ডের সাবেক ফুটবল অধিনায়ক স্যার ডেভিড বেকহ্যাম এবার ইতিহাস গড়েছেন। ২০২৬ সালের সানডে টাইমস রিচ লিস্ট অনুযায়ী, তিনি যুক্তরাজ্যের প্রথম বিলিয়নিয়ার ক্রীড়াবিদ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। স্ত্রী ভিক্টোরিয়া বেকহ্যামের সঙ্গে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.১৮৫ বিলিয়ন পাউন্ড।
ধনী ক্রীড়াবিদদের তালিকায় বেকহ্যাম দম্পতি রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। তালিকার শীর্ষে আছেন সাবেক ফর্মুলা-১ প্রধান বার্নি একলেস্টোনের পরিবার, যাদের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ বিলিয়ন পাউন্ড।
উত্তর আয়ারল্যান্ডের গলফ তারকা ররি ম্যাকইলরয় রয়েছেন সপ্তম স্থানে। টানা দ্বিতীয়বার মাস্টার্স জয়ের পর তাঁর সম্পদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২৫ মিলিয়ন পাউন্ড।
অন্যদিকে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সহ-মালিক স্যার জিম র্যাটক্লিফের সম্পদ কমেছে ১.৮৫ বিলিয়ন পাউন্ড। ফলে তিনি যুক্তরাজ্যের সামগ্রিক ধনীদের তালিকায় সপ্তম থেকে নেমে নবম স্থানে চলে গেছেন। বর্তমানে তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৫.১৯৪ বিলিয়ন পাউন্ড।
৫১ বছর বয়সী বেকহ্যাম বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল ক্লাব ইন্টার মায়ামির সহ-মালিক। ক্লাবটির বর্তমান মূল্য ধরা হচ্ছে প্রায় ১.৪৫ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া তিনি অ্যাডিডাস ও হুগো বসের মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও কাজ করছেন।
ভিক্টোরিয়া বেকহ্যামের আয়ের বড় অংশ এসেছে তাঁর ফ্যাশন ব্র্যান্ড থেকে। তিনি একসময় জনপ্রিয় সংগীত দল স্পাইস গার্লসের সদস্য হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান।
এদিকে, ক্রীড়া প্রোমোটার ব্যারি হার্ন এবং তাঁর ছেলে এডি হার্নও এবার যুক্তরাজ্যের বিলিয়নিয়ার ক্লাবে প্রবেশ করেছেন। তাঁদের যৌথ সম্পদের পরিমাণ ধরা হয়েছে ১.০৩৫ বিলিয়ন পাউন্ড। ব্যারি হার্ন হলেন ম্যাচরুম স্পোর্টের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, যা বক্সিং, ডার্টস ও স্নুকারের অন্যতম বড় প্রোমোশন প্রতিষ্ঠান।
ব্রিটিশ বক্সার অ্যান্থনি জোশুয়া রয়েছেন তালিকার অষ্টম স্থানে, তাঁর সম্পদের পরিমাণ ২৪০ মিলিয়ন পাউন্ড। তাঁর ঠিক পরেই আছেন হেভিওয়েট প্রতিদ্বন্দ্বী টাইসন ফিউরি, যার সম্পদ ১৬২ মিলিয়ন পাউন্ড।
সাতবারের ফর্মুলা-১ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্যার লুইস হ্যামিলটন রয়েছেন পঞ্চম স্থানে, তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৪৩৫ মিলিয়ন পাউন্ড। এছাড়া ইংল্যান্ড ফুটবল দলের অধিনায়ক হ্যারি কেইন এবং দুইবারের উইম্বলডনজয়ী স্যার অ্যান্ডি মারে যৌথভাবে দশম স্থানে রয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের সম্পদ ১১০ মিলিয়ন পাউন্ড।