বাংলাদেশ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে দর্শনার্থীদের ভিড়

16292_IMG_9264.jpeg

সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর। জাদুঘরটিতে জুলাই আন্দোলনের ঘটনাপ্রবাহ, শহীদ ও আহতদের স্মৃতি, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, দলিল, ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী এবং নানা ধরনের ডিজিটাল প্রদর্শনী সংরক্ষণ করা হয়েছে।

বুধবার উদ্বোধনের পর বৃহস্পতিবার প্রথম দিনেই দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। প্রথম দিনের জন্য নির্ধারিত ৯০০ টিকিট উদ্বোধনের পরপরই বিক্রি হয়ে গেছে। ফলে সকাল থেকেই জাদুঘর ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদুঘরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের দিন সাংবাদিক ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত ছিল।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, আন্দোলনের ধারাবাহিকতা এবং সেই সময়ের নানা স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরে স্থান পেয়েছে আন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, শহীদ ও আহতদের ব্যবহৃত নানা সামগ্রী এবং ঘটনাপ্রবাহভিত্তিক তথ্য-উপাত্ত। আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের দলিল, প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের নানা অনুষঙ্গও এখানে প্রদর্শন করা হয়েছে।

জাদুঘর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নতুন প্রজন্মকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সেই সময়ের ত্যাগ ও সংগ্রামের স্মৃতি সংরক্ষণই এই জাদুঘরের মূল লক্ষ্য।

জানা গেছে, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৯০০ জনকে প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ জন্য তিনটি পৃথক সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। বেলা ১১টা, দুপুর ১টা এবং বিকেল ৪টায় তিনটি স্লটে দর্শনার্থীরা জাদুঘরে প্রবেশ করতে পারবেন।

প্রতিটি স্লটে সর্বোচ্চ ৩০০ জন করে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। টিকিট কাউন্টার এবং অনলাইন উভয় মাধ্যমেই সংগ্রহ করা যাচ্ছে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিটের দাম ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত


ভিডিও