
বিএনপির প্রার্থী হিসেবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন দলটির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (৯ আগস্ট) বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘনিষ্ঠ দুটি সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। এরপর পর থেকেই জাতীয় রাজনীতি ও সচিবালয়ের আমলাতন্ত্রে পরিবর্তনের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হওয়ায় মন্ত্রীদের সার্বিক কাজের মূল্যায়নও এই সম্ভাব্য রদবদলের কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিএনপির দলীয় ও সরকারি সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক প্রয়োজন বিবেচনায় কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে পরিবর্তন হচ্ছে।
দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন, মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে দল ও সরকার; দুই জায়গাতেই বেশ বড় পরিবর্তন হবে। সে ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে নতুন মন্ত্রী নিয়োগের পাশাপাশি বিএনপির মহাসচিব পদে নতুন কেউ দায়িত্বে আসবেন। আবার কোনো মন্ত্রী অন্য মন্ত্রণালয়ে বদলি হলে তাঁর জায়গায় নতুন মুখ আনা লাগতে পারে। বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। মন্ত্রিসভায় রদবদল হলে তাঁকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে নেওয়া হতে পারে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ অন্য দপ্তরে গেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নতুন মুখ আসার সম্ভাবনা প্রবল। বিএনপির সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নাম গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে।
তবে এ্যানিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া কিংবা অন্যান্য দপ্তরের পরিবর্তনের বিষয়ে এখনো সরকার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি।
মন্ত্রিসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাবেন, সেই সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করবে।
এই সম্ভাব্য পরিবর্তনের বিষয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কোনো নেতা মন্তব্য করতে রাজি হননি।