
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরান যেভাবে দ্রুত তার সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করছে, তাতে ইসরাইলি সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বিস্মিত হয়েছেন।
জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের পর ইরান দ্রুত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন আক্রমণাত্মক সক্ষমতা পুনর্গঠন করছে। ইসরাইলি কর্মকর্তাদের ধারণা, ইরান প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত নতুন অস্ত্র তৈরি করছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুনে ইরানের কাছে প্রায় এক হাজার ৩০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর আগে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় দুই হাজার ৫০০-তে পৌঁছায়।
মার্কিন গোয়েন্দারাও মে মাসে জানিয়েছিলেন, ইরান তাদের পূর্বাভাসের চেয়ে দ্রুত সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করছে। চীন ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে বলেও মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে, দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রের মজুতও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে জানা গেছে। ফলে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান হলে যুক্তরাষ্ট্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বিমান হামলার ওপর বেশি নির্ভর করতে হতে পারে।
তবে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, যুদ্ধের সময় ইরানের সামরিক সক্ষমতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। ইরানের পুনর্গঠন প্রচেষ্টা তারা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেদের মূল্যায়ন ও প্রস্তুতি হালনাগাদ করছে।
সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট